ভারত থেকে কেঁদে, বাংলাদেশ থেকে মিথ্যা বলে
সনি নর্দের কথা মনে আছে? সহজেই ভুলে যাওয়ার কথা নয় হাইতিয়ান এই ফুটবলারের
কথা। শেখ রাসেল ও শেখ জামালের জার্সিতে দুই মৌসুম খেলেছিলেন ঢাকায়।
দুর্দান্ত গতি ও ড্রিবলিংয়ে মুগ্ধ করেছিলেন সবাইকে। তাঁর ফুটবল কারিকুরি
দেখতে স্টেডিয়ামে দর্শক সমাগমও গিয়েছিল বেড়ে। সনির গায়ে উঠে গিয়েছিল ঢাকার
মাঠে খেলা অন্যতম সেরা বিদেশির তকমাও।
কিন্তু এই বেশি ভালো খেলাটাই ‘কাল’ হয়ে দাঁড়াল শেখ জামালের! জামালের হয়ে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আইএফ শিল্ড টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়েই হাইতিয়ান এই প্লেমেকারের ওপর নজর পড়ে কলকাতার ক্লাবগুলোর। পরে ২০১৪ সালে শেখ জামাল থেকে মোহনবাগানে পাড়ি জমান তিনি।
খেলোয়াড় এক ক্লাব ছেড়ে আরেক ক্লাবে যাবেন, পেশাদার ফুটবলে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মোটেও স্বাভাবিক ছিল না সনির বাংলাদেশ ছাড়ার গল্পটা। নিয়েছিলেন মিথ্যার আশ্রয়। শেখ জামাল থেকে ছুটি নিয়ে ঢাকা ছেড়েছিলেন। সেই যাওয়াই শেষ। আর ফেরেননি জামালের এ ‘পোস্টার বয়’। পরে জানা গেল, মোহনবাগানে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশি ফুটবল সমর্থকদের মন জয় করা সনি। পুরোনো গল্পটা নতুন করে পাড়া কেন?
কিন্তু এই বেশি ভালো খেলাটাই ‘কাল’ হয়ে দাঁড়াল শেখ জামালের! জামালের হয়ে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আইএফ শিল্ড টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়েই হাইতিয়ান এই প্লেমেকারের ওপর নজর পড়ে কলকাতার ক্লাবগুলোর। পরে ২০১৪ সালে শেখ জামাল থেকে মোহনবাগানে পাড়ি জমান তিনি।
খেলোয়াড় এক ক্লাব ছেড়ে আরেক ক্লাবে যাবেন, পেশাদার ফুটবলে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মোটেও স্বাভাবিক ছিল না সনির বাংলাদেশ ছাড়ার গল্পটা। নিয়েছিলেন মিথ্যার আশ্রয়। শেখ জামাল থেকে ছুটি নিয়ে ঢাকা ছেড়েছিলেন। সেই যাওয়াই শেষ। আর ফেরেননি জামালের এ ‘পোস্টার বয়’। পরে জানা গেল, মোহনবাগানে নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশি ফুটবল সমর্থকদের মন জয় করা সনি। পুরোনো গল্পটা নতুন করে পাড়া কেন?

No comments